আমাদের মিশন ও ভিশন

আমাদের ভিশন

একটি মানবিক, বৈষম্যহীন, আত্মনির্ভরশীল ও পরিবেশবান্ধব সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রতিটি মানুষ নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ পাবে।

আমাদের মিশন

কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর শিক্ষা অনুসরণ করে মানবসেবা, সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, জীবিকা উন্নয়ন এবং সুন্দরবন ও উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও মানবিক মূল্যবোধের সঙ্গে কার্যকর কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা।

প্রধান লক্ষ্য

সুন্দরবন ও উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র, অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক, অর্থনৈতিক ও মানবিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং স্থানীয় জনগণকে উন্নয়নের মূল অংশীদার হিসেবে সম্পৃক্ত করে একটি টেকসই ও মর্যাদাপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা।

উদ্দেশ্যসমূহ

সুন্দরবন সেবা কল্যাণ ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও মানবকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন, মানবতার সেবা, সামাজিক উন্নয়ন এবং সুন্দরবন ও উপকূলীয় পরিবেশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে নিম্নলিখিত উদ্দেশ্যসমূহ বাস্তবায়নে কাজ করবে—

১. আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের উদ্দেশ্যে কুরআন ও সহিহ সুন্নাহর শিক্ষা অনুসরণ করে মানবসেবা, ন্যায়, সততা, আমানতদারি ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।

২. অসহায়, দরিদ্র, এতিম, বিধবা, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা প্রদান করা।

৩. যাকাত, সদকা, ফিতরা ও অন্যান্য বৈধ দান-অনুদান যথাযথ নিয়মে সংগ্রহ ও উপযুক্ত মানুষের কল্যাণে ব্যয় করতে সহযোগিতা করা।

৪. দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা গ্রহণে সহযোগিতা করা এবং শিক্ষা উপকরণ, বৃত্তি ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা।

৫. কুরআন, হাদিস, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার প্রসারে সহযোগিতা করা এবং শিশু-কিশোর ও যুবসমাজকে সৎ ও আদর্শ জীবনযাপনে উৎসাহিত করা।

৬. দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা সহায়তা, স্বাস্থ্যসেবা, স্বাস্থ্যসচেতনতা, রক্তদান, চক্ষুসেবা, মাতৃ ও শিশুসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনা করা।

৭. ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, নদীভাঙন, অগ্নিকাণ্ডসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জরুরি ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সহযোগিতা করা।

৮. উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের সুযোগ বৃদ্ধিতে কাজ করা।

৯. দরিদ্র নারী, যুবক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র উদ্যোগ ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে সহযোগিতা করা।

১০. সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকার পরিবেশ, জীববৈচিত্র্য, বনজ সম্পদ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

১১. বৃক্ষরোপণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পানি ও মাটি সংরক্ষণ এবং পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও উৎসাহিত করা।

১২. মাদকাসক্তি, বাল্যবিবাহ, নারী ও শিশু নির্যাতন, যৌতুক, জুয়া এবং অন্যান্য সামাজিক অনাচারের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা।

১৩. সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক সহযোগিতা, ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখা।

১৪. ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী বা সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসা এবং বৈষম্যহীন সেবা নিশ্চিত করা।

১৫. এতিম, পথশিশু ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সহযোগিতা করা।

১৬. উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচি গ্রহণ করা।

১৭. স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামাজিক দায়িত্ববোধ, স্বেচ্ছাসেবামূলক মনোভাব ও মানবসেবার চেতনা সৃষ্টি করা এবং স্বেচ্ছাসেবক দল গঠন ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা।

১৮. সরকারি, বেসরকারি, দেশি-বিদেশি উন্নয়ন সংস্থা ও দাতা প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় আইনানুগভাবে বিভিন্ন উন্নয়ন ও মানবকল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা।

১৯. সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর অধিকার, মর্যাদা ও সামাজিক নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আইনসম্মত ও শান্তিপূর্ণ উপায়ে কাজ করা।

২০. সকল কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, সততা, আমানতদারি ও মানবিক মূল্যবোধ বজায় রেখে প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য—“সৃষ্টির সেবা, স্রষ্টার সন্তুষ্টির প্রত্যাশায়”—বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করা।

Have questions about this page?

Our customer support team is here to help you anytime.

Contact Support

Subscribe to receive regular newsletters